Vlogging এখন একটি ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। অনেকেই এটা এখন করে থাকেন, কেউ কেউ আবার চাইছেন শুরু করতে। অধিকাংশ ভ্লগার ক্যামেরাতেই শ্যুট করে থাকেন তাঁদের ভিডিও, কেউ কেউ আবার ফোনেও শ্যুট করেন। কিন্তু আপনি যদি নতুন করে ভ্লগিং শুরু করতে চান এবং ভাল কোয়ালিটির ভিডিও বানাতে চান তাহলে বেছে নিন এই ক্যামেরার একটি। এগুলো আপনাকে দেবে অনন্য ভিডিও কোয়ালিটি। এর ফলে আপনার করা ভিডিও দর্শকদের মনে দারুন প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে আপনার লোকেশন হাইলাইটেড হবে। আর এর ফলে আপনার চ্যানেলের সাবসক্রাইবার সংখ্যা বাড়বে।
Survey
✅ Thank you for completing the survey!
তাহলে দেখে নিন এই চারটি ক্যামেরা সম্পর্কে বিস্তারিত।
GoPro Hero 10
GoPro Hero 10 ব্ল্যাক হল অন্যতম জনপ্রিয় অ্যাকশন ক্যামেরা। এটা এই সংস্থার flagship ক্যামেরাও বটে, আবার টপ ক্যামেরাও। এতে গ্রাহক পেয়ে যাবেন একাধিক আকর্ষণীয় অত্যাধুনিক ফিচার। ডাস্ট এবং ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স বডি আছে এই ক্যামেরায় সঙ্গে রয়েছে শক রেজিস্ট্যান্স বৈশিষ্ট্য। এই কমপ্যাক্ট ক্যামেরায় আছে পিকচার এবং ভিডিও স্টেবিলাইজেশনের সুবিধাও। Flat HD rectangle ওয়াইড শট, আল্ট্রা ওয়াইড শট, ফিশ আই ফরম্যাট সহ একাধিক শট নেওয়া সম্ভব এই ক্যামেরার সাহায্যে। 5.3K রেজোলিউশনের ভিডিও তোলার জন্য এটা একেবারে আদর্শ ক্যামেরা।
GoPro Hero 10 ছাড়াও আরও একটি ভাল অ্যাকশন ক্যামেরা হল Insta 360। এই ক্যামেরার সাহায্যে আপনি যে কোনও জায়গায় 360 ডিগ্রি ভিউ তুলতে পারবেন। এই ক্যামেরাটি মূলত একটি চিনা সংস্থা বিক্রি করে। এছাড়া আছে স্ট্রিট ভিউ ফিচার।
Sony ZV1
এই মিররলেস ক্যামেরাটিতে আছে দারুন সব ফিচার, এর ফলে ভ্লগাররা মনের মতো ভিডিও বানাতে পারবেন এর সাহায্যে। বিশ্বে এখন যে কটি সেরা ক্যামেরা প্রস্তুতকারক সংস্থা আছে তার মধ্যে সোনি হচ্ছে অন্যতম। এক্সটার্নাল মাইক্রোফোনের জন্য এতে আছে একটি রেডি পোর্ট।
Mevo Start
ভ্লগিং করার জন্য যে ক্যামেরাগুলো আছে এটা তার নবীনতম সংস্করণ। এই ক্যামেরা 1080p স্ট্রিমিং সাপোর্ট করে। ক্যামেরা থেকে সমস্ত ডেটা সহজেই ফোনে পাঠাতে দেয় এই ক্যামেরাটি। এছাড়া এতে আছে মাইক্রো এসডি কানেকশনের সুবিধাও। কাউকে ট্র্যাক করতে হলে, অটোমেটিক শট নিতে হলে এই ক্যামেরা ভীষণই সাহায্য করবে আপনাকে।