এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্য কিংবা, এক জেলা থেকে অন্য জেলা যেতে গেলে টোল প্লাজায় ব্যয় করতে হতো অনেকটা সময়। খুচরো পয়সা নিয়েও অনেকে সমস্যায় পড়তেন। সেই সব ঝামেলা এড়াতে কেন্দ্রীয় সরকার FASTag এর সুবিধা নিয়ে এসেছিল। এর ফলে টোল প্লাজায় ( Toll Plaza ) গাড়ি বেশিক্ষণ দাঁড় করিয়ে সময় নষ্ট না করেও টোল ট্যাক্স দেওয়া সম্ভব হয়। যার ফলে কমে যায় সময় নষ্ট হওয়ার মাত্রা। 2021 সালে ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের সব বাণিজ্যিক এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে FASTag ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করা হয়। কিন্তু এবার প্রকাশ্যে এল এই FASTag কে ব্যবহার করেই চলছে প্রতারণা!
Survey
✅ Thank you for completing the survey!
একটা ভাইরাল ভিডিও ( Viral Video ) থেকে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরেই শোরগোল পড়ে যায় দেশ জুড়ে। আট বছর আগে, 2014 সাল থেকে FASTag এর সুবিধা শুরু হয়েছিল। ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া অথবা NHAI এই সুবিধা নিয়ে এসেছিল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ডিজিটাল মাধ্যমে টোল ট্যাক্স সংগ্রহ করা।
FASTag লাগানো থাকলে গাড়িতে, যখন সেটি টোল প্লাজা ক্রস করবে তখন সেটা নিজে থেকেই স্ক্যান হয়ে যাবে। এবং অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেবে। এর ফলে যেমন ডিজিটালি টোল ট্যাক্স সংগ্রহ করা যাবে তেমনই কম সময় লাগবে। কিন্তু সেই FASTag কে কাজে লাগিয়েই চলছে প্রতারণা চক্র! হতবাক সকলেই।
কী ভাবে প্রতারকরা এই কাজ করছে?
কিছুদিন আগেই একটি ভিডিও ভাইরাল হয় নেট মাধ্যমে। সেখানে দেখা যায় একটি বাচ্চা গাড়ির কাঁচ ধুয়ে দিচ্ছে। বাচ্চাটির হাতে একটি স্মার্ট ওয়াচ ছিল। সেই স্মার্ট ওয়াচের মাধ্যমেই Paytm থেকে FASTag থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেই ওই ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে। এরপর ভিডিওতে দেখা যায় বাচ্চাটি পালিয়ে যায়।
কিন্তু সত্যিটা কী?
Paytm এর তরফে জানানো হয়েছে ভিডিওটা সত্য নয়। এটা একটি ভুয়ো ভিডিও। FASTag পেমেন্ট পদ্ধতি এভাবে করা যায় না। এটা অসম্ভব। টুইটারে Paytm কোম্পানির তরফে একটি টুইট করা হয়, সেখানে তারা বলে সম্প্রতি Paytm নিয়ে যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সেটা ভুয়ো। কারণ ন্যাশনাল ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন গাইডলাইন অনুযায়ী একমাত্র অথোরাইজ মার্চেন্টরাই FASTag স্ক্যান করার অনুমতি পায়। যে কেউ ভাবে টাকা হাতাতে পারে না। ভিডিওতে যেটা দেখা গেছে এবং দাবি করা হয়েছে স্মার্ট ওয়াচের মাধ্যমে নাকি FASTag স্ক্যান করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে সেটা ভুল। FASTag এর পেমেন্ট পদ্ধতি একদম সুরক্ষিত বলেই দাবি করেছে এই সংস্থা।
ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া এই ভিডিওর বিষয়ে তাদের মতামত জানিয়ে ভিডিওটিকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে। পরবর্তীকালে জানা যায় এই ভিডিওটি নাকি স্ক্রিপ্টেড! একজন অভিনেতা রয়েছেন এই ভিডিওতে। এমনটাই এক সত্য অনুসন্ধানকারী ওয়েবসাইটের তরফে বলা হয়েছে যারা এই ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেছিল এবং তদন্ত করেছিল।