TRAI New Rules 2026 to More Voice SMS Only cheaper Recharge Plans Coming
মোবাইল রিচার্জ গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে TRAI নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্প্রতি টেলিকম কনজিউমার প্রোটেকশন (ত্রয়োদশ সংশোধনী) রেগুলেশনস 2026 এর নতুন নিয়ম চালু করেছে ট্রাই। টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (ট্রাই) এর নতুন নিয়ম অনুযায়ী, টেলিকম কোম্পানি Jio, Airtel, Vodafone Idea, BSNL কে গ্রাহকদের জন্য সস্তা দামের রিচার্জ প্ল্যান আনতে হবে। এই প্ল্যানগুলিতে এমন হবে যেখানে ডেটা সুবিধা থাকার বাধ্যবাধকতা থাকবে না। যার মানে হল কোম্পানিদের এমন আরও রিচার্জ প্ল্যান আনতে হবে যা কলিং এবং SMS সুবিধা সহ আসবে। আসুন ট্রাই এর জারি করা নতুন নিয়মের বিষয় জেনে নেওয়া যাক।
ট্রাই এর তরফে টেলিকম কোম্পানিদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও সস্তা রিচার্জ প্ল্যান আনতে হবে। এতদিন পর্যন্ত, বেশিরভাগ মোবাইল ইউজারদের এমন সব রিচার্জ প্যাক কিনতে হতো যাতে কলিং পরিষেবার পাশাপাশি ডেটাও থাকত, এমনকি তাদের ইন্টারনেটের কোনো প্রয়োজন না থাকলেও। তবে নতুন নিয়ম চালু হলে কোম্পানিগুলোকে ভয়েস কল এবং এসএমএস ভিত্তিক প্ল্যান চালু করতে হবে। এর ফলে বিশেষ করে সেই গ্রাহকরা উপকৃত হবেন যারা তাদের স্মার্টফোন মূলত ফোন কল এবং মেসেজিংয়ের জন্য ব্যবহার করেন।
আরও পড়ুন: 5000 টাকা ছাড়ের সাথে আজ প্রথম সেল Redmi Note 17 Pro Max 5G ফোনের, রয়েছে 10000mAh ব্যাটারি
TRAI গত 21 সেপ্টেম্বর গ্রাহক সুরক্ষা বিধিমালায় এই সংশোধনী আনে। তবে নিয়মগুলো কার্যকর হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রায় 30 দিনের মধ্যে কোম্পানিগুলোকে নতুন বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিবর্তনগুলো চালু করতে হবে।
নতুন ভয়েস ও এসএমএস প্ল্যানগুলোর দাম এখনও ঠিক করা হয়েনি। বিভিন্ন রিপোর্টে দেওয়া উদাহরণ অনুযায়ী, যদি কোনো কোম্পানির বর্তমান ডেটা-সহ রিচার্জ প্ল্যানের দাম 350 টাকা হয়, তবে শুধুমাত্র কলিং ও এসএমএস এর প্ল্যানটি (ডেটা ছাড়া) সম্ভবত 150 থেকে 200 টাকার মধ্যে পাওয়া যেতে পারে।
যার মানে হলো, কিছু ক্ষেত্রে গ্রাহকরা 149 থেকে 199 টাকা পর্যন্ত সস্তা করতে পারবেন। তবে আসল দাম এবং ভ্যালিডিটি নির্ভর করবে বিভিন্ন কোম্পানি কী ধরনের প্ল্যান অফার করছে তার ওপর।
তাছাড়া, নতুন নিয়ম অনুযায়ী কোম্পানিগুলোকে রিচার্জের ভ্যালিডিটির বিষয়ে গ্রাহকদের সামনে স্পষ্ট বিকল্প তুলে ধরতে হবে। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, 28 দিনের প্ল্যানের পাশাপাশি কোম্পানিগুলোকে 30 দিন ভ্যালিডিটির প্ল্যানও রাখতে হবে। এর ফলে গ্রাহকরা তাদের প্রয়োজন ও বাজেট অনুযায়ী সবচেয়ে উপযুক্ত প্ল্যানটি বেছে নিতে পারবেন।