Phone Bhoot ছবির নির্মাতাদের কার্যত মাথায় হাত পড়েছে। সবে এই ছবিটি 4 নভেম্বর বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে। অভিনয়ে রয়েছেন ক্যাটরিনা কাইফ (Katrina Kaif), সিদ্ধান্ত চতুরবেদি (Siddhant Chaturvedi) এবং ঈশান খট্টর (Ishaan Khatter)। আর সেই ছবি হলে আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অনলাইনে লিক করে গেল। তাও আবার HD ফরম্যাটে। এটা দেখে কোন সিনেমা নির্মাতার মাথায় হাত পড়বে না বলুন তো? একাধিক সাইটে এই ছবিটি লিক করেছে। কোন কোন সাইট? জানা গিয়েছে ফোন ভূত ছবিটি তামিলরকার্স, টেলিগ্রাম, টরেন্টের মতো সাইটে লিক করেছে।
Survey
✅ Thank you for completing the survey!
করোনা এসে স্বাভাবিক জীবনকে অনেকটা পাল্টে দিয়েছে, আড়াই বছর আগের স্বাভাবিক জীবন আর বর্তমান স্বাভাবিক জীবনের মধ্যে অনেক পার্থক্য। মানুষ এখন ঘরে বসে OTT প্ল্যাটফর্মে ছবি, ওয়েব সিরিজ দেখতে অভ্যস্থ হয়ে গিয়েছেন। তাঁদের ফের নতুন করে হলে টেনে নিয়ে যাওয়া মোটেই মুখের কথা নয়। তবুও সিনেমা নির্মাতারা আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন সেটার। কিন্তু পেরে উঠছেন কই?
একাধিক ছবি বক্স অফিসে মাথা তুলে দাঁড়াতেই পড়ছে না। আর তার মধ্যে যদি ছবি মুক্তি পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে HD ফরম্যাটে পাইরেটেড সাইটে চলে আসে তাহলে তার পরিণাম কী সকলেরই জানা। আগে যে এমনটা হয়নি সেটা নয়। আগেও হয়েছে, তখন ছবি নির্মাতারা সমস্যায় পড়েছেন। এখন সমস্যায় পড়লেন ফোন ভূত ছবির নির্মাতারা।
এই ছবির প্রচার বেশ কয়েকদিন ধরেই চলছিল। বিয়ের পর ক্যাটরিনা কাইফের এটি প্রথম ছবি। তিনি নিজে এই ছবির প্রচার করেছেন। একাধিক সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন এই ছবির টিম। তাঁদের আশা ছিল ছবিটি বক্স অফিসে ভাল ফল করবে। সেই রকম প্রেডিকশন ছিল। কিন্তু যখনই এই ছবি অনলাইনে বিনে পয়সায় দেখা সুযোগ তৈরি হয়ে গেল তখন কি আর দর্শক হলমুখী হবেন গাঁটের কড়ি খরচ করে ছবি দেখার জন্য? মনে হয় না। আর সেই আশঙ্কায় এখন সন্ত্রস্ত হয়ে আছেন এই ছবির নির্মাতারা। তাঁদের মতে বক্স অফিসে এর প্রভাব দেখা যাবে। তাঁরা যেমনটা ভেবেছিলেন তেমন ফল এবার আর হবে না।
কিন্তু প্রথমদিন হল ফেরত দর্শকদের কেমন লাগল এই ছবি? আপাতত মিশ্র প্রতিক্রিয়া মিলছে ফোন ভূতকে কেন্দ্র করে। কারও বেশ মজা লেগেছে এই হরর কমেডি মুভি দেখে, কারও আবার একদমই পছন্দ হয়নি। এই ছবির সঙ্গে বক্স অফিসে টক্কর দিচ্ছে জাহ্নবী কাপুরের (Janhvi Kapoor) মিলি ছবিটি। সঙ্গে আছে সোনাক্ষী সিনহা (Sonakshi Sinha) এবং হুমা কুরেশির (Huma Qureshi) ডাবল এক্সএল।