বুধবার কলকাতাতে চিনা কন্সোলেট Ma Zhanwa বলেছেন যে , চিন ‘সামনের দিকে দেখতে চায়’ (Looking Forward) আর তাই তারা দক্ষিণ পূর্ব চিনের কিউমিং থেকে আমাদের রাজ্যের রাজধানী কলকাতা পর্যন্ত বুলেট ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করছে
ভোজনরসিক বাঙালির কাছে অত্যন্ত প্রিয় আর অথেন্টিক চিনা খাবারের জায়গা কলকাতার চায়না টাউন। সারা দেশে জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড হিসাবে যখন মোমো আসেনি তার অনেক আগেই বাঙালির মন জয় করেছিল মোমো বা অনেক অথেন্টিক চিনা খাবার।
Survey
✅ Thank you for completing the survey!
শুধু তাই নয় শহর কলকাতার চিনা পারা বহু বার বাংলা সাহিত্য আর সিনেমায় উঠে এসেছে। আর তাই প্রানের শহর মন দরাজ দিল বাঙালি চিনা নবর্ষে তাঁর কোন চিনা বন্ধুর বাড়ির নিমন্ত্র আজও পেয়ে থাকে।
আর এবার কী তবে চিনা খাবার খেতে সোজা চিনে যাবে বাংলার মানুষ!
কী ভাবছেন যে আজ আচমকা হলটা কী? হটাৎ চিন নিয়ে ব্যস্ত কেন হলাম! আসলে সম্প্রতি কলকাতার চিনা ডেলিগেটের নতুন প্রোজেক্টের বিষয়ে জেনেই আমাদের এই ‘চিন কাহন’। আসুন তবে আর বেশি দেরি না করিয়ে আপনাদের আসক খবরটা জানাই।
বুধবার কলকাতাতে চিনা কন্সোলেট Ma Zhanwa বলেছেন যে , চিন ‘সামনের দিকে দেখতে চায়’ (Looking Forward) আর তাই তারা দক্ষিণ পূর্ব চিনের কিউমিং থেকে আমাদের রাজ্যের রাজধানী কলকাতা পর্যন্ত বুলেট ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করছে।
ভারত আর চিনের ব্যাবসায়িক সম্পর্কের বিষয়ে একটি কনফারেন্সের সময়ে Zhanwa বলেন যে , “ আমরা কলকাতা থেকে কিউমিংয় বুলেট ট্রেন চালাতে চাই। আর এভাবে সারা এশিয়া একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। তিনি এও বলেন যে “ এই ট্রেনের পরিকল্পনা যদি সত্যি হয় তবে কলকাতা থেকে কিউমিং কয়েক ঘন্টায় পৌঁছানো যাবে”।
তবে চিনের ডেলিগেট এই রুটের বিষয়ে ডিটেলে কিছু বলেন নি, যে এটি বাংলাদেশ-চিন-ভারত-মায়নামার (BCIM) ইকনমিক করিডোর প্রোজেক্টের অন্তর্গত কিনা। সেই প্রোজেক্টে মায়নামারের মান্ডালি, বাংলাদেশের ঢাকা আর চট্টগ্রাম হয়ে কলকাতা আসার কথা।
Zhanwu বলেন যে ভারত একটি উদিয়মান ইকনমি আর চিন প্রতিবেশিদের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক রাখতে চায়।