মোবাইলের নেটওয়ার্ক কানেকশন খারাপ থাকলে বা নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি কম থাকলে ওয়াইফাই কলিং (WiFi Calling) ফিচার ব্যবহার করা যায়। তবে সেক্ষেত্রে মোবাইলে যে কোম্পানির সিম রয়েছে, সেই টেলিকম অপারেটরকে ওয়াইফাই কলিং (WiFi Calling) ফিচারের সাপোর্ট দিতে হবে। তবে ওয়াইফাই কলিং (WiFi Calling) করতে গেলে অবশ্যই লাগবে স্ট্রং ওয়াইফাই কানেকশন। মোবাইলে টাওয়ার না থাকলে শক্তিশালী ওয়াইফাই কানেকশন ব্যবহার করে করা যাবে রেগুলার ফোনকল। আজ ভারতে জিও (Jio), এয়ারটেল (Airtel), ভোডাফোন-আইডিয়ার (Vi) মতন সমস্ত টেলিকম অপারেটরেরা ওয়াইফাই কলিং ফিচার অফার করে থাকে। কোনো টেলিকম সংস্থাই এই বিশেষ ফিচারের জন্য কোনো অ্যাডিশনাল টাকা নেয় না।
এই নতুন ওয়াইফাই কলিং সার্ভিস লো-নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি রয়েছে এমন জায়গার জন্য বিশেষ কার্যকর। ধরা যাক কোনো ইউজার ফ্ল্যাটের বা শপিং মলের বেসমেন্টে রয়েছে। সেখানে মোবাইলের টাওয়ার পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু ইউজারের ফোনে ওয়াইফাই কানেকশন যদি স্ট্রং থাকে তবে নেটওয়ার্ক না থাকলেও ফোনকল করা যাবে ওয়াইফাইয়ের সাহায্যে। তবে সবার আগে নিজের ফোনে ওয়াইফাই কলের ফিচারকে চালু করতে হবে।
এই ওয়াইফাই কল (WiFi Call) সার্ভিস ফোন কলের কোয়ালিটিকে আরও উন্নত করে। কথা বলতে বলতে ফোন কেটে যাওয়া বা কথা আটকে যাবার মতন সমস্যা এই কলিং সিস্টেমে হয় না।
সাধারণত ওয়াইফাই কলিং হয় VoIP বা ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রোটকল সিস্টেমের মাধ্যমে। যেখানে আজকাল নরমাল ফোনকল হয় VolTE বা ভয়েস ওভার প্রোটকল সিস্টেমের সাহায্যে।
আজকাল বেশিরভাগ ফোনেই WiFi কলিং ফিচার রয়েছে। ইউজার নেটওয়ার্ক সেটিংস অপশনে গিয়ে এই ফিচারকে অ্যাক্টিভ করতে পারবেন। তবে মোবাইলে যদি WiFi কলিং ফিচার খুঁজে না পাওয়া যায় তবে বুঝতে হবে সেই নির্দিষ্ট মোবাইলে WiFi কলিং সাপোর্ট করে না।
আইফোনে WiFi কলিং ফিচার চালু করতে হলে-