সম্প্রতি TechCrunch নামক একটি সংস্থার রিপোর্টে জানা গিয়েছে যে একটি স্মার্টফোন স্পাইওয়্যার , হাজার হাজার ইউজারের ব্যাক্তিগত ডেটা যেমন, কল রেকর্ড, টেক্সট মেসেজ, ফটো, ব্রাউজিং হিস্ট্রির মতো তথ্যকে বিপদের মুখে ফেলেছে।
Survey
✅ Thank you for completing the survey!
ইউজারের ফোন থেকে পারসোনাল ডেটাকে সিকিউরিটি ইস্যুর কারণ দেখিয়ে চুরি করতে পারে স্পাইওয়্যার। রিপোর্টে জানা হয়েছে যে কোন স্পাইওয়্যার এমন কাজ করছে এবং কোন ডেভলপারের হাতে এই স্পাইওয়্যারের অ্যাক্সেস রয়েছে তা এই মুহূর্তে জানানো যাবে না। নাহলে হ্যাকারেরা এই ধরনের ইনসিকিওর ডেটাকে ব্যবহার করে ক্ষতি করতে পারে।
জানানো হয়েছে যে এই স্পাইওয়্যারের ডেভলপারের সাথে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কেননা এই বিষয়ের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বহু মানুষের ইনফরমেশনের সিকিউরিটি।
স্টকারওয়্যার অ্যাপগুলি কোনো ভুয়ো অ্যাপের নাম নিয়ে ইউজারদের ফোনে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে ইউজারদের কল লগ, মেসেজ, লোকেশনের মতন একাধিক পারসোনাল অ্যাক্টিভিটির অ্যাক্সেস চায়। একবার ডাউনলোড করার পর এই স্প্যাইওয়্যার ইউজারের ফোনে নজরদারির কাজ করে।
স্পাইওয়্যার সংক্রান্ত সিকিউরিটি ইস্যু কনজিউমার গ্রেড স্পাইওয়্যার সংক্রান্ত তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
অক্টোবরের শুরুতেই গুগল জানিয়েছে যে প্লে-স্টোরে বেশ কয়েকটি স্টকারওয়্যার অ্যাপের দেখা মিলেছে, যেগুলি গুগলের পলিসিকে লঙ্ঘন করেছে। গুগলের তরফে জানানো হয়েছে যে এই ধরণের অ্যাপের খোঁজ পাওয়া মাত্রই প্লে-স্টোর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যাতে কোনোভাবেই ইউজারের সিকিউরিটি বিঘ্নিত না হয়।
এছাড়াও বেশ কিছু স্পাইওয়্যার বা স্টকারওয়্যার অ্যাপ রয়েছে যারা বিশেষ কিছু টেকনিকের মাধ্যমে গুগলের স্পাইওয়্যার অ্যাপ ব্যানের বিষয়টিকে এখনো এড়িয়ে যায়।
সম্প্রতি Kaspersky নামক একটি সাইবার সিকিউরিটি ফার্ম জানিয়েছে যে বেশ কিছু মানুষজন আছে যারা নিজেদের পার্টনারেই জীবনকে ডিজিটালভাবে কন্ট্রোল করতে চায়। রিপোর্টে জানা গিয়েছে যে প্রায় 4,627 জন ভারতীয় মোবাইলে ইউজার স্টকারওয়্যারের ভিক্টিম হয়েছেন। 2020 সালে প্রায় 53,870 জন মোবাইলে ইউজার সারা বিশ্বে স্টকারওয়্যারের ইউজেসের ফলে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। 2019 সালে ক্ষতিগ্রস্থ মোবাইলে ইউজারের পরিমান ছিল 67,500।