Digit India’s Top Appliance Awards 2026: ‘বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে হলে মানসিকতা বদলাতে হবে’, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে ড. জিতেন্দ্র সিং
Digit India’s Top Appliance Awards 2026: ভারত প্রযুক্তি, মহাকাশ ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে দ্রুত এগিয়ে চলেছে। একসময় যে প্রযুক্তি ভারতে পৌঁছতে অনেকটা সময় লাগত, এখন সেই ক্ষেত্রেই বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোচ্ছে দেশ। তবে এই অগ্রগতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে শুধু প্রযুক্তির উন্নতি নয়, মানসিকতারও পরিবর্তন প্রয়োজন বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং।
Surveyসহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, দেশের লক্ষ্য পূরণ করতে হলে সরকার এবং বেসরকারি ক্ষেত্রকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, একে অপরের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পুরনো ধারণা বদলাতে হবে।
Digit-এর উদ্যোগের প্রশংসা
অনুষ্ঠানে Digit-এর Top Appliance Awards-এরও প্রশংসা করেন ড. জিতেন্দ্র সিং। তাঁর মতে, একই জায়গায় বিভিন্ন ক্ষেত্রের স্টেকহোল্ডারদের একত্রিত করার ফলে মতামত বিনিময় এবং একে অপরের কাছ থেকে শেখার সুযোগ তৈরি হয়। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে ভালো লার্নার হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শিল্পক্ষেত্রের প্রতিনিধিদের কাছ থেকেও অনেক কিছু শেখার সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের কাজ শুধু সিদ্ধান্ত নেওয়া নয়, প্রয়োজনে facilitator হিসেবে শিল্পের সমস্যাগুলি বুঝে সমাধানের পথ তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণে সরকার ও শিল্পের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ এবং সহযোগিতা বজায় রাখা প্রয়োজন।ভারত প্রযুক্তি, মহাকাশ ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে দ্রুত এগিয়ে চলেছে। একসময় যে প্রযুক্তি ভারতে পৌঁছতে অনেকটা সময় লাগত, এখন সেই ক্ষেত্রেই বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোচ্ছে দেশ। তবে এই অগ্রগতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে শুধু প্রযুক্তির উন্নতি নয়, মানসিকতারও পরিবর্তন প্রয়োজন বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং।
এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. জিতেন্দ্র সিং বলেন, গত দেড় দশকে ভারতের প্রযুক্তি ও ম্যানুফ্যাকচারিং ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। কোয়ান্টাম টেকনোলজি থেকে মহাকাশ গবেষণা—একাধিক ক্ষেত্রে ভারত এখন বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলির মধ্যে রয়েছে। চন্দ্রযানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ভারতের কাছে প্রতিভা ও মানবসম্পদের অভাব কখনও ছিল না; প্রয়োজন ছিল সঠিক পরিবেশ এবং নীতিগত সহায়তার। সেই জায়গায় গত কয়েক বছরে পরিবর্তন এসেছে।
আগামী দিনের প্রযুক্তি হবে AI ও বায়োটেকনোলজি নির্ভর
ড. জিতেন্দ্র সিংয়ের মতে, আগামী দিনে অর্থনীতির বড় অংশ ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের পাশাপাশি সার্কুলার ইকোনমি, রিসাইক্লিং, বায়োটেকনোলজি এবং AI-নির্ভর প্রযুক্তির দিকে এগোবে। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ইতিমধ্যেই AI ও বায়োটেকনোলজিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়ে গিয়েছে। চিকিৎসা, কৃষি এবং খাদ্য শিল্পেও বায়োটেকনোলজির ব্যবহার আরও বাড়বে।
তবে দ্রুত বদলে যাওয়া প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন মাইন্ডসেট পরিবর্তনের। তাঁর কথায়, প্রযুক্তি যে গতিতে বদলাচ্ছে, সেই গতির সঙ্গে মানুষের মানসিকতা সবসময় একইভাবে বদলাচ্ছে না। আগামী দিনের জন্য প্রস্তুত হতে হলে নতুন প্রযুক্তিকে শুধু গ্রহণ করলেই হবে না, সেটিকে কীভাবে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়, সেটিও বুঝতে হবে।
মহাকাশ অর্থনীতিতে বড় সম্ভাবনা
ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের পরিবর্তনের কথাও তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর দাবি, মহাকাশ ক্ষেত্রকে বেসরকারি সংস্থার জন্য খুলে দেওয়ার পর গত কয়েক বছরে দেশের স্পেস ইকোনমি দ্রুত বেড়েছে। আগে যেখানে এই অর্থনীতির আকার খুবই ছোট ছিল, বর্তমানে তা প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ভবিষ্যতে এটি ৪০-৪৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তাঁর মতে, ভারত এখন আর শুধু অন্য দেশের প্রযুক্তি অনুসরণ করার জায়গায় নেই। বরং এমন অবস্থানে পৌঁছেছে, যেখানে অন্য দেশগুলিও ভারতের কাছ থেকে শেখার সুযোগ পাচ্ছে। এই পরিবর্তনের পিছনে সরকারি নীতি এবং বেসরকারি ক্ষেত্রকে আরও বেশি সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।
প্রযুক্তি শিক্ষার সুযোগও বাড়িয়েছে
প্রযুক্তি কীভাবে সাধারণ মানুষের কাছে সুযোগ তৈরি করছে, তার উদাহরণ দিতে গিয়ে ড. জিতেন্দ্র সিং এক ছাত্রীর কথা বলেন, যে কোনও কোচিং ছাড়াই প্রযুক্তির সাহায্যে IIT-JEE পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে সফল হয়েছে। তাঁর মতে, প্রযুক্তি শিক্ষা ও সুযোগকে আরও গণতান্ত্রিক করেছে। এখন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেও তরুণরা প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বড় সুযোগ তৈরি করতে পারছে।
2047-এর লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতার উপর জোর
ড. জিতেন্দ্র সিং বলেন, ২০৪৭ সালের লক্ষ্য পূরণ করতে হলে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রকে আরও বেশি করে বেসরকারি সংস্থার জন্য খুলতে হবে এবং একইসঙ্গে শিল্পকেও ভবিষ্যতের পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। মহাকাশ ক্ষেত্রের পাশাপাশি নিউক্লিয়ার সেক্টরেও বেসরকারি অংশগ্রহণ বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা তিনি তুলে ধরেন।
এক্ষেত্রে সরকার এবং শিল্পক্ষেত্রের মধ্যে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, দেশের লক্ষ্য পূরণ করতে হলে সরকার এবং বেসরকারি ক্ষেত্রকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, একে অপরের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পুরনো ধারণা বদলাতে হবে।
Digit-এর উদ্যোগের প্রশংসা
অনুষ্ঠানে Digit-এর Top Appliance Awards-এরও প্রশংসা করেন ড. জিতেন্দ্র সিং। তাঁর মতে, একই জায়গায় বিভিন্ন ক্ষেত্রের স্টেকহোল্ডারদের একত্রিত করার ফলে মতামত বিনিময় এবং একে অপরের কাছ থেকে শেখার সুযোগ তৈরি হয়। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে ভালো লার্নার হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শিল্পক্ষেত্রের প্রতিনিধিদের কাছ থেকেও অনেক কিছু শেখার সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের কাজ শুধু সিদ্ধান্ত নেওয়া নয়, প্রয়োজনে facilitator হিসেবে শিল্পের সমস্যাগুলি বুঝে সমাধানের পথ তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণে সরকার ও শিল্পের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ এবং সহযোগিতা বজায় রাখা প্রয়োজন।তিনি আরও বলেন, সরকারের কাজ শুধু সিদ্ধান্ত নেওয়া নয়, প্রয়োজনে facilitator হিসেবে শিল্পের সমস্যাগুলি বুঝে সমাধানের পথ তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণে সরকার ও শিল্পের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ এবং সহযোগিতা বজায় রাখা প্রয়োজন।
Joyeeta Bhattacharya fell in love with technology at an early age, believing that technology was the secret to unlock India's limitless potential. She is currently Assistant Editor - Bangla at Digit. View Full Profile
