আমরা এই সময়ে আমদের ফোনে একাধিক সব অ্যাপ ব্যাবহার করি আর এই অ্যাপ গুলি সাধারনত আমরা গুগলের প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে থাকি। আর যারা iOS ব্যাবহার করি তারা এই অ্যাপ গুলি অ্যাপেল স্টোর থেকেও ডাউনলোড করে থাকি। আর এই অ্যাপের মধ্যে অনেক অ্যাপই ফ্রি থাকে তবে এর মধ্যে সব অ্যাপই যে সব সময়ে সঠিক তা কিন্তু নয়, প্লে স্টোরে একাধিক ফেক অ্যাপও থাকে।
যদিও গুগল প্লে স্টোরে একাধিক সিকিউরিটি চেজ অ্যাড করা হয়েছে যার মাধ্যমে আপনারা জানতে পারবেন যে কোন অ্যাপ কেমন। এত সব সিকিউরিটির পরেও কিন্তু প্লে স্টোরে ফেক অ্যাপের একাধিক নিউস আসে আর সেই সব কিছু জানলে গুগল অবশ্যই সেই অ্যাপ নিজেদের প্লে স্টোর থেকে আনইন্সটল করে দেয়। তবে এসব সত্বেও অনেক সময়ে অনেক ফেক অ্যাপ প্লে স্টোরে থেকে যায়।
এর মধ্যে কিছু অ্যাপ বেশ কিছু বিজ্ঞাপন দেয় আর অন্য একাধিক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। যেমন আপনাদের ব্যাক্তিগত তথ্য নিয়ে তা অন্য জায়গায় দিয়ে দিতে পারে। বা আপনাদের ব্যাক্তিগত তথ্য এই সব অ্যাপের মাধ্যমে হ্যাকারদের কাছে পৌঁছে যায় আর সঙ্গে আপনাদের অজান্তেই আপনাদের বিপদ ঘারের ওপরে চলে আসে।
কয়েক মাসে আগে গুগল প্লেতে ব্যাকিং ম্যালওয়্যার অ্যাপ দেখা গেছে, যা ডিটেকশান লোকানোর জন্য মোশান সেন্সার ব্যাবহার করত। আর এই ভাবে ম্যালওয়্যার অ্যাটাকের বিষয়ে জানার জন্য এম্যালুলেটার চালাতে হয় যা ত্রিক তাতে থাকে। আর আসলে 2018 সালে ল্যাবে জানা গেছিল যে 4% ভারতীয় গ্রাহকদের ব্যাঙ্কিং ট্র্যাঞ্জাংশান ট্রেজান প্রভাবিত। এই অ্যাপ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, পাসওয়ার্ড পর্যন্ত জানে আর তাদের টাকা ট্র্যাঞ্জাংশানের অনুতি দেয়। নকল অ্যাপ স্পট করার আর তার থেকে দূরে থাকার কিছু উপায় আছে আর আজকে আমরা আপনাদের সেই বিষয়েই জানাব। এই উপায় গুলি জানা থাকলে আপনারা ফেক অ্যাপের হাত থেকে অনেকটাই বাঁচতে পারবেন।
আর আপনারা এই সব স্টেপ ফলো করলে বুঝতে পারবেন যে কোন অ্যাপটি ফেক আর কোনটি না। তাই এবার থেকে অ্যাপ ডাউনলোড আর ইন্সটল করার সময়ে হরবরি না করে একটু খেয়াল করে একটু সাবধানতা অবম্লম্বন করলেই বিপদ অনেকটা দূর করা যায়।