আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষই নিজেদের ডিজিটাল অ্যাকাউন্টগুলির পাসওয়ার্ডের সিকিউরিটি নিয়ে চিন্তায় থাকেন। আচ্ছা আপনি কি করে বুঝবেন বলুন তো যে কোন ধরণের পাসওয়ার্ড হ্যাক হবার সম্ভাবনা বেশি বা আপনার ইউজার অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড অন্য কারোর কাছে চলে গেছে কিনা? বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানুষ এই জটিল বিষয়গুলিকে এড়িয়ে যান। অনেকেই এই বিষয়টিকে বিশ্বাস করতে চান না যে মনে রাখার সুবিধার জন্য তারা ফেসবুক (Facebook), টুইটার (Twitter) এবং গুগলে (Google) কোনো দুর্বল পাসওয়ার্ডকে সেভ করেছেন। মনে রাখতে হবে যে একটা শক্তিশালী পাসওয়ার্ড কিন্তু ডিজিটাল ডেটাকে হ্যাকারের আক্রমণ থেকে বাঁচিয়ে রাখতে পারে।
Google কোম্পানি Chrome ব্রাউজারে নতুন সিকিউরিটি লেয়ার যুক্ত করেছে। যার ফলে ইউজারের ফেসবুক, টুইটার বা অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড হ্যাক হয়েছে কিনা তা নোটিফাই করবে খুব সহজে। গুগল ক্রোমের এই বিশেষ ফিচারটিকে “Google Chrome Password Checker” বলা হয়। এই বিল্ট ইন ক্রোম পাসওয়ার্ড টুল সমস্ত সেভ থাকা এবং সিঙ্ক করা পাসওয়ার্ডগুলিতে ডেটা ব্রিচিং ঘটছে কিনা তা জানাতে পারে। কোনো পাসওয়ার্ড কতটা দুর্বল তা সম্পর্কেও নোটিফিকেশন দেয় ইউজারদের।
বেশ কয়েকটি পাসওয়ার্ড রয়েছে যেগুলি ইউজারেরা সবচাইতে বেশি ব্যাবহার করে থাকেন। রিপোর্ট অনুসারে এই সমস্ত পাসওয়ার্ডগুলিকে হ্যাক করা যায় মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই। সেগুলি হল-
নিজের প্রত্যেকটি ডিজিটাল অ্যাকাউন্টে আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। ফেসবুক,টুইটার এবং গুগলে একইরকমের পাসওয়ার্ড ইউজ করা থেকে বিরত থাকুন।
কোনো পাসওয়ার্ড যদি 12 ডিজিটের হয়, তাহলে এই ধরণের পাসওয়ার্ডকে সবচাইতে স্ট্রং বলে মনে করা হয়। আপনি চাইলে কোনো গানের লিরিক বা কোনো বইয়ের লাইনও ব্যবহার করতে পারেন। পাসওয়ার্ডে স্পেশ্যাল ক্যারেক্টর এবং ডিজিট ইউজ করলে সিকিউরিটি আরও বেশি বজায় থাকে।
নিজের ডাকনাম, ঠিকানা এগুলিকে পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।